Warehouse Basic Knowledge | What is warehouse activities in logistics

একটি দেশের সামুগ্রিক উন্নতি নির্ভর করে দেশী ও বিদেশী ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর। আবার ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ও প্রসার নির্ভর করে আমদানি-রপ্তানী বাণিজ্যের উপর। ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামুগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ওয়্যারহাউজ এর রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। 

নিবন্ধটির প্রথমেই আমরা জানার চেষ্টা করবো ওয়্যারহাউজ কি (What is Warehouse)? 

Warehouse basics-by krrahman

Warehouse Basic Knowledge

ওয়্যারহাউজ (Warehouse) এর সাব্দিক অর্থ হলো  পণ্যাগার অর্থ্যাৎ বিভিন্ন ধরনের পণ্য যেখানে জমা করে রাখা হয়।  ওয়্যারহাউজ হলো সে জায়গা বা বিশেষ স্থান - যেখানে কোন পণ্যসামুগ্রী পরবর্তিতে ব্যবহার ও বিতড়ণের জন্য বিশেষ নিয়ম ফলো করে স্টোর করে রাখা হয়। 

আমাদের দেশে এ পদ্ধতিকে সাধারণত গোডাউন বলা হয়ে থাকে। কিন্তু ওয়ারহাউজ ও গোডাউনের মধ্যে একটি বিশেষ পার্থক্য আছে।

ওয়্যারহাউজ ও গোডাউনের মধ্যে পার্থক্য (Difference between Warehouse and Godown)

ওয়্যারহাউজ অপারেশন, ম্যানেজ ও মেন্টেইন একটি Fixed নিয়ম মেনে হয়ে থাকে যা একটি  সিস্টেমেটিক প্রসিডিওর ফলো করে। একাজে পণ্য  সংরক্ষণ ও বিতরণে বিশেষ ধরণের সফট্ওয়্যার ও ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। আধুনিক ওয়ারহাউজ অপারেশনের জন্য ক্লাউড সফট্ওয়্যারও ব্যবহার হচ্ছে।

Warehouse operation - by krrahman

অর্থ্যাৎ একটি বিশেষ ধরণের ডিভাইস ব্যবহার করে পণ্য রিসিভ বা ডেলিভেরির যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণকালে তথ্যগুলো অটোমেটেক্যালি সেন্ট্রাল সার্ভার ডাটাবেজে (Central Server Database) সংরক্ষণ হয়ে যায়। ওয়্যারহাউজ করতে হলে বাংলাদেশ কাস্টমস্ আইন মেনে লাইসেন্স নিতে হয় এবং এটা বাধ্যতামূলক (বাংলাদেশ কাস্টমস্ আইন ১৯৬৭, ধারা – ১২)।

পক্ষান্তরে, গোডাউন হচ্ছে- ব্যক্তি পর্যায়ে কোন পণ্যসামুগ্রী মজুত করে রাখা, যার জন্য বিশেষ কোন প্রসিডিউর ফলো করা হয়না, কোন ডিভাইসও সচরাচর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না। তবে, ইদানিং অনেক বড় বড় কোম্পানী বা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান তাদের গোডাউন মেনেজমেন্টে আধুনিক পণ্যসংরক্ষণ ও বিতরণ পদ্ধতি চালু করছে। 


ওয়্যারহাউজ কয় ধরণের হয়ে থাকে (How Many Types of Warehouses Are There?

ওয়্যারহাউজ সাধারনতঃ তিন ধরণের হয়ে থাকে।

১. পাবলিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ (Public Bonded Warehouse)ঃ এগুলো হচ্ছে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ওয়্যারহাউজ, যেখানে সরকারের নির্দিষ্ট ডিউটি চার্জ পরিশোধের পর পণ্যগুলো খালাস করা হয়। 

২. প্রাইভেট বন্ডেড ওয়্যারহাউজ (Private Bonded Warehouse) ঃ বাংলাদেশ কাস্টমস্ আইন ১৯৬০ এর ধারা ১৩ অনুযায়ী শুল্ক কমিশনার যেকোন প্রতিষ্ঠানকে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাইভেট বন্ডেড ওয়্যারহাউজ এর লাইসেন্স প্রদান করে থাকে। এইসব ওয়্যারহাউজগুলোতে করযোগ্য পণ্য সরকারী কর পরিশোধ ছাড়াই জমা ও খালাস করতে পারে। 

৩. স্পেশাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ (Special Bonded Warehouse)ঃ এ ধরনের ওয়্যারহাউজ সাধারণত ১০০% এক্সপোর্ট ওরিয়েন্ডেড ওয়্যারহাউজ। এখানে জমাকৃত পণ্যসামুগ্রী রপ্তানী শুধু রপ্তানীর জন্যই ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, আমরা দেখতে পাচ্ছি এই তিন ধরণের ওয়্যারহাউজ করতে গেলে অবশ্যই সরকারী লাইসেন্স পেতে হয়।  

এই হলো Warehouse Basic Knowledge | what is warehouse activities in logistics? ওয়্যারহাউজ সম্পর্কে একটি বেসিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি, আশাকরি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।




KR RAHMAN

Blogger, market research, freelancing

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন