ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস কমানোর উপায়! না, বিষয়টি মোটেও আতকে ওঠার মতো নয়। ডায়াবেটিস বা ডায়াবেট্স কখনোই সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায়না কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া নিয়ম-কানুন মেনে চলার মাধ্যমে য়াবেটিস কমানো সম্ভব।
নিয়মিত হাটুন (How Much Exercise to Prevent Diabetes)
প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে হাটুন, সপ্তাহে অন্ততঃ ৫ দিন। আস্তে আস্তে হাটলে কিন্তু ফল হবেনা। কিছুটা দ্রুততার সাথে হাটতে হবে যাতে শরীর থেকে ঘাম বেড় হয় বা বের হওয়ার উপক্রম হয়। মোটামোটি সপ্তাহে ১৫০মি. হাটতে পারলে আপনি আপনার ডায়াবেটিস অনেকটাই কন্ট্রোল করতে পারবেন।
খাদ্যভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন (Best Food for Diabetes Control)
যেমনটা আমরা ছোটবেলায় পড়েছি “শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রয়োজন - সুষম খাদ্য গ্রহণ।”
সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে যেমন, কার্বোহাড্রেড, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেলস্ ওয়াটার। সুষম খাদ্য মানে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ ও পানি সমৃদ্ধ খাবার।
শর্করা জাতীয় খাবারের সহজ উৎস আমাদের চারপাশেই আছে।
সুষম খাদ্যের তালিকায় ১ নাম্বারে আছে - আমিষ জাতীয় খাবার
শর্করা জাতীয় খাবারের প্রধান কাজ হলো দেহে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাপ শক্তি উৎপাদন। আমাদের দৈনিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয় খাদ্য শক্তির শতকরা প্রায় ৫০-৬০ ভাগ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে পাওয়া যায়।
শর্করা জাতীয় খাবার-মানবদেহে কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তি যোগায়। আমরা অনেকেই মনে করি, শর্করা জাতীয় খাবার দূষ্প্রাপ্য ও অনেক ব্যায়বহুল। কিন্তু এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। এ জাতীয় খাবার আমাদের হাতের নাগালেই সহজমূল্যে পাওয়া যায় যেমন চাল, গম, ভুট্টা, চিড়া, মুড়ি, চিনি, গুড়, আলু, কচুরমুখী ইত্যাদি যা নিয়মিত খেতে হবে।
সুষম খাদ্যের তালিকার ২য় নাম্বারে আছে - আমিষ জাতীয় খাবার
স্নেহ জাতীয় খাবার মানবদেহে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে থাকে। স্নেহ জাতীয় পদার্থ যে পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করে তা শর্করা জাতীয় খাবার এর উৎপাদিত শক্তির প্রায় দ্বিগুণ।
স্নেহ জাতীয় খাদ্যের উৎস হলো ভোজ্য তেল, ঘি, মাখন, ইত্যাদি। কিন্তু সহজলভ্য সরিষার তেল, সয়াবিন, তিলের তেল, সূর্যমুখী তেল, চিনা বাদাম থেকে আমরা দৈনন্দিন চাহিদার স্নেহ জাতীয় খাবার পেতে পারি।
সবধরণের সবুজ শাক, পেঁপে, কাঁচামরিচ, পুদিনা পাতা, ধনে পাতা, সজনে পাতা, পালংশাক, কচু শাক, মূলাশাক ইত্যাদি যা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে থাকি। কিন্তু মান ঠিক রেখে রুটিন মোতাবেক খাওয়া সবচাইতে জরুরী। টক জাতীয় ফল যেমন; আমলকি, জলপাই, পেঁয়ারা, জাম্বুরা, ঢেউয়া, আমড়া, লেবু, করমচা ইত্যাদি দেশীয় ফলমুল থেকে কাংখিত পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
মানবদেহের সুস্থতার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন মিনারেল/খনিজ জাতীয় পদার্থের। উদাহরণস্বরুপ - ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সুষম খাদ্য বাদ দিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে ব্রেইনস্ট্রোক, হৃদরোগ এমনকি ক্যানসার এর ঝুঁকি বেড় যায় বেড়ে যায় বহুগুণে।
ব্যতিক্রমঃ
যারা লো-কার্বোহাইড্রেড খাবার গ্রহণ করেন (কেটোডায়েট) তাদের কিন্তু হার্ট এটাকের সম্ভবনা ৫২%, ব্রেইনস্ট্রোক ৪২% ও ক্যান্সার এর সম্ভাবনা ৩২ভাগ বেড়ে যায়।





Nice article i found here, it is short but informative. Looking for more Thx.
উত্তরমুছুন